ডিসেম্বর ৫, ২০২০

আপিল শুনানিতে পক্ষভুক্ত হতে ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তির আবেদন ,সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার বৈধতা

১ min read

সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার বৈধতা নিয়ে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানিতে পক্ষভুক্ত হতে বিভিন্ন পেশার  ৫জন বিশিষ্ট ব্যক্তি আবেদন করেছেন। তারা হলেন, সুপ্রিম  কোর্টের আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকার, অনলাইন বিশ্ববার্তার সম্পাদক আরিফুর রহমান, প্রজেক্ট বিল্ডিং লিমিটেডের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. শওকত হোসেন খান, দেশ ইউনির্ভাসাল লিমিটেডের উপদেষ্টা লে. কর্নেল (অব.) আবু ইউসুফ জোবায়ের উল্লাহ ও আল-মুথ মাইনাহ মা ও শিশু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল আলী। গত বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় তারা এ আবেদন করেন। আবেদনে ৫ ব্যক্তিরা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও কোরআন ও সুন্নাহবিরোধী আইন করেননি। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম ইসলাম। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী দেশে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চান। পরে একইদিন এই আবেদনটির ওপর চেম্বার বিচারপতির আদালতে শুনানি হয়। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী।
শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে করা মূল আপিলের সঙ্গে শুনানির জন্য নিয়মিত  বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। গত ১৯ মার্চ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার বৈধতা নিয়ে করা রিট খারিজের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য নির্ধারিত থাকলেও কার্যতালিকায় না আসায় শুনানি হয়। এর আগে গত বছরের ১৬ নভেম্বর চেম্বার বিচারপতি এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য ১৯ মার্চ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। গত বছরের ৬ নভেম্বর সংবিধানে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদন খারিজের রায় প্রকাশ হয়।
এরপর ১২ নভেম্বর হাইকোর্টের এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী। ২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রাষ্ট্রধর্মের বৈধতা নিয়ে রিট সরাসরি খারিজ করে দেন। ১৯৮৮ সালে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা এবং ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীতে  রাষ্ট্রধর্ম বহাল রাখা হয়। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে ২০১৫ সালের  ১ আগস্ট এই রিট আবেদনটি করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.