বুধ. সেপ্টে ২৩, ২০২০

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে লোকালয়ে বাঘ আতংকে এলাকাবাসী !! মেছু বাঘকে আটক

এম রেজা টুনু সুনামগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের রনসী গ্রামের পূর্বপাড়া বেতের ঝোপে বাঘ আতংকে রাতদিন পার করছেন রনসী গ্রামবাসীসহ এলাকার সাধারন জনগন। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। বাঘ আতংক থেকে রেহাই পেতে গতকাল বুধবার পূর্ব পাগলা ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন,রনসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান সহ এলাকার শতাধিক গন্যমান্য ব্যাক্তিদের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দেয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায, পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের রনসী পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মৃত সরক আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম ও মৃত তেরাব আলীর ছেলে সুন্দর আলীর মালিকানা ও দখলীয় প্রায় এক একর জায়গা নিয়ে বেতের ঝোপ ঝাড় জঙ্গল রয়েছে । এই জঙ্গলে দীর্ঘদিন যাবত বাঘ সহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীরা বসবাস করে আসছে। এই বেতের ঝোপের আশ পাশের বাড়ী ঘরে বসবাসকারী প্রত্যেকটি পরিবারের পালিত হাস,মুরগী, গরু,ছাগল দিনরাতে খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে। উক্ত বেতের ঝোপ জঙ্গল পরিষ্কার করার জন্য এলাকাবাসী পঞ্চায়েতগন বারবার নুরুল ইসলাম ও সুন্দর আলীকে বলার পরও তারা পরিস্কার করতে নারাজ। বর্তমানে বাঘের আতংকে উক্ত গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে । এছাড়া এই রাস্তা দিয়ে আর ও বিভিন্ন গ্রামের লোকজন রাতদিন চলাচল করেন কিন্তু বাঘের ভয়ে চলাচল করতে বিরাট সমস্যায় রয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া কয়েকদিন আগে বাঘ একটি ছাগলকে মেরে ফেললে এলাকাবাসী একটি মেছু বাঘকে আটক করেন। এ ব্যাপারে নুরুল ইসলাম বলেন, এই জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বিধায় ঝোপ ঝাড় পরিষ্কার করা যাচ্ছে না। সুন্দর আলী বলেন, জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে, আমি গ্রামের পাঞ্চায়েতের কাছে সমজাইয়া দিয়েছি তারা যা করেন আমি মেনে নেব।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এক পক্ষ চাচ্ছে জঙ্গল পরিস্কার করার জন্য আরেক পক্ষ চাচ্ছে না। আমি পূর্ব পাগলা ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেছি উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি নিস্পত্তি করে জঙ্গল পরিস্কার করে দেওয়ার জন্য।