বৃহঃ. সেপ্টে ২৪, ২০২০

উপশহরে ব্যবসায়ীর মেসেজ পেয়ে খাদ্যসামগ্রী উপহার নিয়ে “বিপদের বন্ধু” সৈয়দ মুহিবুর রহমান।

১ min read

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল সিলেট জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শাহজালাল উপশহর ব্যবসায়ী সমিতি ই.এফ এর সাবেক সেক্রেটারি, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও সংগঠক।

ব্যবসা বন্ধ থাকায় অসহায় হয়ে পড়া উপশহর ই-ব্লকের ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মেসেজ পেয়ে খাদ্যসামগ্রী উপহার দিলেন সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপশহরের বাসিন্দা দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আবীদ ফার্মেসীর স্বত্বাধিকারী বিশিষ্ট মুরব্বি আব্দুল মজিদ রুশন মিয়া, ব্যবসায়ী শামীম পারভেজ, মোঃ ফয়জুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান লালন, তারেক আহমেদ।
মিছলু এসময় আসপাশের অন্যান্য ব্যবসায়ীরও খোঁজ খবর নেন এবং তিনির এই কার্যক্রম অব্যাহত আছে এবং থাকবে উল্লেখ করে বলেন প্রতিদিন ফোন, মেসেজ আসছে এবং ধারাবাহিক ভাবে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন।
মিছলু ঐদিন নগরীর কুমার পাড়া এবং সোনার পাড়ার মধ্যবিত্ত পরিবার কে খাদ্যসামগ্রী উপহার পৌছে দেন।

সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু বলেন বাংলাদেশে লকডাউনে থাকা শ্রমজীবী মেহনতী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষের চোখের পানি ঝরছে নিরবে।
সেই অসহায় মানুষের কাছ থেকে ফোন অথবা ফেইসবুক মেসেঞ্জারে মেসেজ পেলেই অসহায় ব্যক্তির পরিচয় গোপন রেখে কখনো দিনে আর কখনো রাতের আঁধারে ছুটে যান বিপদগ্রস্ত মানুষের মুখে নিজ উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী উপহার নিয়ে বাসাবাড়িতে।
ইতিমধ্যে তিনি খ্যাতি কুড়িয়েছেন ‘বিপদের বন্ধু’ হিসেবে।

মিছলু এর আগে নিজের উদ্যোগে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির স্বার্থে নগরীর শাহজালাল উপশহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ১টি করে হাত ধোয়ার সাবান এবং পানির ড্রাম বসিয়ে দেন। স্প্রে মেশিন কাঁধে নিয়ে তার নিজ এলাকা শাহজালাল উপশহরে সবসময় জীবাণুনাশক স্প্রেও ছিটিয়েছেন।

মুহিবুর রহমান মিছলু বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা মূলক কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে সরকার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রবাসী সহ সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসেছেন, কোন কাজ’ই একার পক্ষে সম্ভব নয় তাই আরো ব্যাপক ভাবে যায় যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.