শনি. জুলা ১১, ২০২০

কাফনের কাপড়ের ডিলারশিপ কে পাবে? মির্জা আব্বাসের জিজ্ঞাসা।

১ min read

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতা ‘ষোলকলা পূর্ণ করেছে অভিযোগ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সারাদেশে শুরু হয়ে গেছে লাশের মিছিল। এবার সবিনয়ে জানতে চাই, ‘কাফনের কাপড়ের ডিলারশিপ কে পাবে? তিনি বলেন, এখন হাসপাতালগুলোতে রোগীদের স্থান সংকুলান হচ্ছে না, তার উপর এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট কিছু ব্যাক্তি গোষ্ঠী কিংবা সংস্থার জন্য একপ্রকার দখলে রাখা হয়েছে। হাসপাতালে অক্সিজেনের জন্য হাহাকার, অসুস্থ অবস্থায় এসে ভর্তি হতে না পেরে অ্যাম্বুলেন্সে ঘুরে ঘুরেই জীবন দিতে হচ্ছে অনেক মানুষকে। করোনা উপসর্গে অসুস্থরা দিনরাত ঘুরেও পরীক্ষাটি পর্যন্ত করাতে পারছে না, এদিকে মর্গে লাশের হিসেবের সংখ্যার সাথে মিলছেনা সরকারি হিসেব। কবরস্থানে সারিবদ্ধ ভাবে খোঁড়া হচ্ছে গণকবর। সত্যিই এক ভয়ংকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে চারিপাশে। তাই মৃত্যুর হার কমাতে এখনি সর্বসাধারণের জন্য হাসপাতাল, আইসিইউ বেড ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করুন। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের আশেপাশে গেলেই শোনা যায় আইসিইউ’র জন্য স্বজনদের হাহাকার। দেখা যায় হাতে পায়ে ধরে মিনতির চিত্র। সাধারণ মানুষের এই আর্তিতে বিব্রত হন চিকিৎসকরা। কেবল চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না তাদেরও। আইসিইউ বেডের অভাবে চোখের সামনে রোগীকে মরতে দেখার চিত্র এখন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে গেছে। খোদ চিকিৎসকরাই পাচ্ছেন না আইসিইউ বেড। ডা. মঈন উদ্দিন নিজের কর্মস্থলেই আইসিইউ পাননি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের (ইউডা) হেড অব অ্যাকাউন্ট মো. মনিরুজ্জামান একই কারণে মারা যান। শ্বাসকষ্টের কারণে তাকে ভর্তি হতে হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। গত ২ জুন সন্ধ্যায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু হাসপাতালে কোনও আইসিইউ বেড না থাকায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরই তিনি মারা যান।

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.