জুন ১৮, ২০২১

বিএনপি কে বাচাতে এই মুহুর্তে আমূল পরিবর্তন দরকার

১ min read

নতুন আলো প্রতিনিধি :   বিএনপিতে পলিটিক্যলি রিফর্ম এখন দলীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সৎ, যোগ্য, মেধাবী এবং অপেক্ষাকৃত ইয়াং নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবী। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা বিশেষকরে প্রতিটি সহযোগী সংগঠনে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কাউন্সিল তথা ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন , এক নেতার এক পদ বাস্তবায়ন করা, কেন্দ্রীয় কমিটি সমপন্ন করা আজ এ দলের প্রতিটি নেতাকর্মীর অন্যতম দাবীতে পরিনত হয়েছে বাঁচাতে এমনটাই বলেছেন ,জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সর্বকালের সেরা সংগঠক ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এর কেন্দ্রীয় কমিটির ১ম নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক বাবলুর ভাই ,৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের জীবন্ত কিংবদন্তী  সাবেক ছাত্রনেতা সানাউল হক নীরু  তার ফেসবুক আডিতে ।

তিনি নিজের উদাহরণ টেনে বলেন, আজীবন কষ্ট পেয়েছি যাদেরকে আপন ভেবেছি তাদের কাছ থেকে !! আসলে তারা কখনোই আমার আপন ছিলো না। যাদেরকে নেতা জেনেছি, তারা কেউ নেতা নয় এক একজন মস্ত বড় অভিনেতা। এরা মানুষ নয়, মানুষ নামের রঙ্গিন ফানুস। বিএনপিতে এখন খান্দানি চোর, চাকর বাকর, কর্মচারী এবং চাঁদাবাজদের রাজত্ব চলছে।

তিনি অভিযোগের সুরে বলেন , টাকার বিনিময়ে কমিটি বিক্রী কিংবা নমিনেশন বানিজ্য আজ এ দলে অনেকটাই ওপেনসিক্রেট। তারেক রহমান কি আগামীর রাষ্ট্র, রাজনীতি কিংবা বিএনপির চেন্জ মেকার?? সুতরাং Change বা আমূল পরিবর্তন এই মূহুর্তে দলকে বাঁচাতে কোরামিন হিসেবে কাজ করবে। চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, সরকার এবং ভারতীয় এজেন্টদের রাহুগ্রাস থেকে দলকে মুক্ত করা এখন দলের এক নাম্বার সিদ্ধান্ত হওয়া বান্চণীয়।

৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের  সাবেক ছাত্রনেতা বলেন, দলে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিও নেত্রীত্বের অভাব , তাই এই দলের সাবেক এমপি মন্ত্রীদের মধ্য থেকে নূন্যতম দুই শত জনকে বাদ দিয়ে এ ক্ষেত্রে দলের সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিও নেতৃত্ব বিশেষকরে ড: মইন খান, ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, শামসুজ্জামান দুদু, এহছানুল হক মিলন, আসাদুজ্জামান রিপন, হাবিবুন নবী খান সোহেল, ব্যারিষ্টার নাসির উদ্দিন অসীম, ব্যারিষ্টার তুহিন মালিক, লালমনির হাটের আসাদুল হাবীব দুলু, খাগড়াছড়ি বিএনপি নেতা আব্দুল অদুদ ভূঁইয়া, সাভারের ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন,সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বুলবুল, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাক্কু, হবিগঞ্জের পৌর মেয়র জি কে গৌস , খুলনা, বরিশাল কিংবা গাজীপুরের মেয়র, খুলনার আজিজুল বারী হেলাল, সাবেক ছাত্রদল নেতা হাসান মামুন, ভোলার নূরুল ইসলাম নয়ন, কূয়াকাটার মোশাররফ, কালীগঞ্জের মনির হোসেন মনির, এবং সারা বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী সৎ, যোগ্য এবং নিবেদিতপ্রাণ শত শত নেতাকর্মী আছে যারা এই দলের জন্য জীবন বাজী রেখে কাজ করতে প্রস্তুত ; তাদেরকে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেত্রীত্বের আসনে দেখতে চায় এই দলটির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

পরিশেষে তিনি কৃতঙ্গতা প্রকাশ করে বলেন , এক সময়ের আমার রাজপথের সহযোদ্ধা কিংবা সতীর্থ, সুখ দু:খের সাথী কালের পরিক্রমায় ছাত্রদলের সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লাখো কোটি নেতাকর্মীরাই আজ আমার আপনজন। তাদের কাছ থেকে জীবনে চলার পথে যে নিখাদ ভালোবাসা পেয়েছি, তা গভীর সংকটে এক আশার প্রদীপ হয়ে পথ দেখাবে। একজন মানুষের কাছ থেকে জীবনে চলার পথে ভালোবাসার প্রতিদান পেয়েছি। তিনি আমাদের সকলের প্রাণপ্রিয় নেতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরোত্তম, ৭ নভেম্বর বিপ্লব দিবসের মহানায়ক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এমন  ভালোবাসার মানুষ দলের নেত্রীত্বের আসনে আসলে এ দলে আলো আসবেই ।

  ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.