ডিসেম্বর ৫, ২০২০

জগন্নাথ পুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সুবিধাজনক অবস্থানে বিএনপির একক প্রার্থী আতাউর রহমান

১ min read

জগন্নাথ পুর প্রতিনিধি : আগামী ৬ মার্চ অনুষ্ঠেয় জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৩ পদে মোট ১১ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। তাঁদের মর্যাদার লড়াইয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ত্রিমূখি লড়াই হবে বলে ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।

এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির দলীয় মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, মানবাধিকার সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী রোটারিয়ান আলহাজ্ব আতাউর রহমান (ধানের শীষ), আ.লীগের দলীয় মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী জগন্নাথপুর উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকমল হোসেন (নৌকা), আ.লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তাদির আহমদ মুক্তা (আনারস)।

বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমান দলীয় প্রতীক ও ব্যক্তি ইমেজে অনেক এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। এবার চেয়ারম্যান পদে আতাউর রহমানের বিজয় হবে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা বেশ আত্মবিশ্বাসী। ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমানই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হবেন। জামায়াত নেতা জুলফিকার আহমেদ মনি বলেন বিগত নির্বাচনে প্রাথমিক ভাবে ঘোষিত নির্বাচনের ফলাফলে আতাউর রহমান কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল পরবর্তীতে কোন এক অদৃশ্য শক্তির কাছে উনাকে পরাজিত হতে হয় তাই আমি আশাবাদী এবারের নির্বাচনে জনগন ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে এবং আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থীর বিপরীতে বিএনপির একক প্রার্থী থাকায় আতাউর রহমানের জয়ের সম্ভাবনা খুব বেশি । জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রবীণ কর্মী মাও: এম এ রশীদ বলেন ভোটারদের ভালবাসার কারণে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানেই আছেন বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আতাউর রহমান। জগন্নাথপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতা হাজি হারুনুর রশিদ বলেন এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হতে কয়েক টি কারণ তার মধ্যে অন্যতম হল বর্তমান চেয়ারম্যান আকমল হোসেন সাহেব এর দ্বারা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় ,রাস্তা ঘাটের করুণ অবস্থা সর্বোপরি আওয়ামী লীগের মধ্যে গ্রুপিং তার বিপরীতে বিএনপির একক ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব আতাউর রহমান সাহেব হলেন সজ্জন ব্যক্তিত্ব উনার ব্যক্তিগত রিজার্ভ ভোট এবং বিএনপি ও জোটের ভোট মিলিয়ে আমাদের প্রার্থী অনেক এগিয়ে আছেন আমি শতভাগ আশাবাদী আমাদের জয় হবে ইনশাল্লাহ আল্লাহ ।
অন্য দিকে দলের মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় দলীয় প্রতীক, ব্যক্তি ইমেজ, প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে সরব থাকলেও সাথে বিগত দিনে উপজেলায় কাঙ্খিত উন্নয়ন না করতে পারায় বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে বর্তমান চেয়ারম্যান আকমল হোসেন সাহেব উপর ভোটরদের বিরাট একটা অংশ অসন্তোষ রয়েছে অনেকে জানান, তবে শেষ সময়ে নৌকার বিজয় হবে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্তাদির আহমদ মুক্তা ব্যক্তি ইমেজ, প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত থাকলেও তাঁকে দল থেকে বহিস্কার করায় তাঁর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে মাঠে নামতে না পারায় তিনি কিছুটা বেকায়দায় রয়েছেন। তবে শেষ সময়ে আনরস প্রতীকের বিজয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানান। অনেকের মতে চেয়ারম্যান পদে লড়াই হবে ত্রিমূখি।
এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আ.লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক বিজন কুমার দে (নৌকা), আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন (তালা), বিএনপির দলীয় মনোনীত প্রার্থী সুহেল আহমদ খান টুনু (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়জুল হক (টিউবওয়েল) ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ ছলিম আহমদ কাসেমী (খেজুর গাছ)।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আ.লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হাজেরা বারী (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফারজানা আক্তার (ধানের শীষ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সুফিয়া খানম সাথী (ফুটবল)।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.