অক্টোবর ২৩, ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সুপার জোকস: আলমগীর

১ min read

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক:দেশের গণতন্ত্র নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে সুপার জোকস বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশে সুস্থ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলছে দাবি করা হলেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র বলতে কিছুই নেই। প্রধানমন্ত্রী সত্যের অপলাপ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এটাকে দ্যাট ইজ দ্যা সুপার জোকস অব ইয়ার বলতে পারি। কারণ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন দেখলে বোঝা যায় দেশে কোনও গণতন্ত্র নেই। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর কমিটি ও ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে আয়োজিত এক যৌথসভা শেষে  সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আলমগীর বলেন, বুধবার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। সেই দিবসে আমরা সরকারি ঘরানার লোকজনের কাছ থেকে যেসব বক্তব্য শুনলাম, তাতে পরিস্কার গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। গণতন্ত্রের মূল যে ফ্রি প্রেস- সেটাই তো চলছে না। বর্তমান সরকারের অধীনেই আগামী সংসদ নির্বাচন হবে প্রধানমন্ত্রীর এমন ইঙ্গিতের উত্তরে মির্জা আলমগীর বলেন, বারবার একই কথা বলতে ভালো লাগে না, দামও থাকে না। প্রধানমন্ত্রী তার কথা বলেছেন, সময়মতো বিএনপিও উত্তর দেবে। সহায়ক সরকারের দাবি আদায়ে বিএনপির পদক্ষেপ জানতে চাইলে মির্জা আলমগীর বলেন, যখন সময় আসবে তখন যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে। নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার নিয়ে যথাসময়ে একটি রূপরেখা দেওয়া হবে। দেশব্যাপী বিএনপির কর্মীসভাগুলোতে বাধা দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা আলমগীর বলেন, দলের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে উজ্জীবিত করতে ইতিমধ্যে সাংগঠনিক সফর শুরু করেছে বিএনপি। আমাদের ৫১টি টিম সারা দেশে রাজনৈতিক সফর করছে। কিন্তু সেই সফরে নানাভাবে পুলিশ বাধা দিচ্ছে। আমরা অনেক জায়গায় কর্মী সম্মেলন করতে বাধাগ্রস্ত হয়েছি। নাটোরে আমাদের সভাই করতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন জায়গায় বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ৭০ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, এই সরকার পুরোপুরিভাবে একটা দুর্নীতিবাজ সরকার। দুর্নীতিই হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রধান উদ্দেশ্য। যার উত্তর সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিয়ে দিয়েছেন। আসলে তারা নিজেরাই স্বীকার করে নিয়েছেন, তারা ‘আওয়ামী লীগ সরকার’ দুর্নীতি করছেন এবং পালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশ-ভারতের চুক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই বিষয়ে (চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক) আমাদের বক্তব্য আগেই দিয়ে দিয়েছি। যৌথসভার পর সংবাদ সম্মেলনে মির্জা আলমগীর জানান, আগামী ৭ মে মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে এবং ৮ মে মহানগর উত্তরের কর্মী সভা হবে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউশনের কর্মীসভাটি হবে পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান মহানগর বিএনপি নেতা শামসুল হুদা, শাহাবুদ্দিন, আবদুল মজিদ, রবিউল ইসলাম রবি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.