অক্টোবর ২৭, ২০২০

প্রধান বিচারপতি কিভাবে বললেন দেশে আইনের শাসন নেই: প্রধানমন্ত্রী

১ min read

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রধান বিচারপতি  কিভাবে বললেন দেশে আইনের শাসন নেই। বিচার বিভাগ যে স্বাধীন তার একটাই তো প্রমাণ আছে। একজন নেত্রীর একটা মামলায় যদি ১৪০ দিন সময় দেয়া হয়। বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই তো এতদিন সময় দেয়া হয়েছে। গতকাল রাতে ১৫তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আছে বলেই তো এই সময়টা দেয়া হয়েছে। না হলে তো দিতে পারতো না। আমাদের যদি ওই ধরনের মানসিকতা থাকতো তাহলে নিশ্চয়ই দিতে পারতো না। আমরা তো সেটা করিনি। ইচ্ছেমতো সময় দিয়ে যাচ্ছেন… দিয়েই যাচ্ছেন। কাজেই বিচার বিভাগ যে স্বাধীন এই একটা উদাহরণই যথেষ্ট। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের এখানে ৭৫০টি পত্রিকা, ৩৪টি টিভি রয়েছে। দেখলাম অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে এই দেশে বাকস্বাধীনতা নাই। যারা রিপোর্টটা করেছে তাদেরকে বলবো এই টিভিতে বসে বসে দিনরাত আমাদের বিরুদ্ধে সমানে কথা বলা হচ্ছে। টকশো, আলোচনা একেবারে স্বাধীনভাবে কথা বলছে। আমাদের সমালোচনা যখন করা হয় কই কেউ কি তাদের গিয়ে গলাটিপে ধরেছে যে, একথা বলা যাবে না। তিনি বলেন, সংবাদপত্র লিখেই যাচ্ছে, হ্যাঁ কেউ যদি হলুদ সাংবাদিকতা করে, মিথ্যা ও অসত্য তথ্য দেয়, কারও যদি চরিত্র হনন করে নিশ্চয়ই তারও অধিকার আছে যে সেখান থেকে নিজের উপর মিথ্যা দোষারোপ থেকে রক্ষা পাবার। সেটা নেয়ার অধিকার সকলেরই আছে। এখানে একেবারে স্বাধীনতা নেই- এটা যারা বলেন…এখানে আমাদের দেশে কিছু লোক আছে, এই লোকগুলো একসময় মনে করতো একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি এলে তাদের মূল্য বাড়বে, তারা একটা পতাকা পেতে পারেন, তারা একটা কিছু হতে পারেন। বা তাদের একটু তোষামোদি, খোসামোদি করা হয়। তাদের মূল্যটাও একটু বেশি থাকে। আর গণতান্ত্রিক পরিবেশে তাদের সুযোগটা কম থাকে। তাদের সাধ আছে ক্ষমতায় আসার, কিন্তু জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার সাধ্য নাই। অনেকে চেষ্টাও করেছে দল গঠনের সাড়া পায়নি মানুষের কাছ থেকে। এটা যদি জনগণ সাড়া না দেয় তার দোষ কার। এরাই নানা কথা বলে বেড়াচ্ছে। তিনি বলেন, কোনো সংসদ সদস্য বা সাধারণ ব্যক্তি কেউ যদি মানহানির মামলা করে এটা দোষ কিভাবে হয়। সে যদি অপরাধ না করে তাহলে মামলা মোকাবিলা করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে। সেটা তো করতে পারবে না। কারণ  হলুদ সাংবাদিকতা করে ফেলেছে। সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বদনাম করা এটাই তাদের চরিত্র। মনে হচ্ছে বদনাম করতে পারলেই নাগরদোলার মতো ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। সেই আশায় তারা থাকে। সেই আশায় গুড়েবালি। এদেশে সেটা আর হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের গণমাধ্যম সম্পূর্ণভাবে স্বাধীনতা ভোগ করছে, স্বাধীন আছে। বাকস্বাধীনতা ব্যক্তিস্বাধীনতা আছে।  স্বাধীনতা ভোগ করতে হলে দায়িত্ব পালন করতে হয়। কারও অধিকার ক্ষুণ্ন করা স্বাধীনতা না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.