অক্টোবর ২৮, ২০২০

ব্রিটেনে বিএনপির কাউন্সিলই গনতন্ত্র চর্চার পরিপূর্নতা :রাকেশ রহমান

১ min read

রাকেশ রহমান ( লেখক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এনডিপি ২০ দলীয় জোট)

-নানা আয়োজন নানা কথার মাঝে দিয়ে ইল্যান্ড বিএনপির কাউন্সিল হয়ে গেল।
দলের ভিতর জাতীয়তাবাদী দলের গনতন্ত্রের প্রচলন ধরে রাখতেই এই কাউন্সিলের আয়োজন।কোন কোন সুবিধাবাদী লোক আবার এই কাউন্সিলের সমালোচনা করতে গিয়ে দলের সিনিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও জড়িয়ে কিছু বলেছেন বা লিখেছেন।
আমি বিএনপির কেউ নই কিন্তু লেখক হিসেবে কিছু দায়িত্ব এড়িয়ে চলতে পারি না তাই শত ব্যাস্ততম সময়ের ফাঁকেও দুটো কথা না লিখে পারছি না।
সব কিছুরই ভালো মন্দ রয়েছে। আত্ম সমালোচনা ভালো কিন্তু পরসমালোচনা ভালো নয়। আমি ধারাবাহিক ভাবে নিজ থেকেই লন্ডনের জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে সকল ঘটনা গুলো শুনে যে ধারনা পেলাম তাতে যারা সমালোচনা করেছেন তাদের লোভী সমালোচক ছাড়া কিছুই বলতে পারছিনা।

শুরু‌তে এ কাউ‌ন্সিল‌টি অনু‌ষ্ঠিত হবার কথা ছিল গত ২ জানুয়ারী। কিন্ত‌ু, ১ জান‌ুয়ারী প্রার্থীদের অনুরোধে ভোটার তালিকা বাড়াতেই পরবর্তী কাউ‌ন্সিলের তা‌‌রিখ নির্ধা‌রিত হয় ১৫ জান‌ুয়ারী। মা‌হিদুর রহমা‌নের নেতৃ‌ত্বে গ‌ঠিত হয় নির্বাচন ক‌মিশন। ঐ নির্বাচন ক‌মিশন যুক্তরাজ্য বিএন‌পির এক‌টি স্বচ্ছ ও গ্রহন‌যোগ্যতম নির্বাচন অনুষ্ঠা‌নের ঘোষনাও দেন। মা‌হিদুর রহমা‌নের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন ক‌মিশন,যুক্তরাজ্য বিএন‌পির ৪৫ টি জোনের সভাপ‌তি-সম্পাদক ছাড়াও আরো তিন জন ক‌রে ভোটার বা‌ড়িয়ে ২২১ জন‌কে কাউ‌ন্সিলার ক‌রেন।�সভাপ‌তি প‌দে ম‌নোনয়ন পত্র জমা দেবার ফি নির্ধারন করা হয় দুই হাজার পাউন্ড ( বাংলা‌দেশী মুদ্রায় প্রায় দু লক্ষ বিশ হাজার টাকা) ও সাধারন সম্পাদক প‌দে দেড় হাজার পাউন্ড!
গত ১৫ জান‌ুয়ারী কাউ‌ন্সিলে বর্তমান সভাপ‌তি এম এ মালিক ছাড়াও সভাপ‌তি প‌দে সা‌বেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শ‌রিফুজ্জামান চৌধুরী তপন, বর্তমান যুগ্ম সাধারন সম্পাদক তাজ উদ্দীন ম‌নোনয়নপত্র কিনেন এবং সাধারন সম্পাদক প‌দে বর্তমান সাধারন সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ ছাড়া ম‌নোনয়নপত্র কিনেন সা‌বেক কমিটির প্রথম যুগ্ম সাধারন সম্পাদক না‌সিম আহমেদ চৌধুরী,যুক্তরাজ্য যুবদ‌লের সা‌বেক আহবাহক দেওয়ান মুকা‌দ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, যুক্তরাজ্য বিএন‌পির সা‌বেক সহ সাধারন সম্পাদক এড‌ভোকেট তা‌হির রায়হান চৌধুরী পা‌বেল। গত শ‌নিবার ম‌নোনয়ন পত্র জমাদা‌নের শেষ দিনে এ পাচঁ প্রার্থীর কেউই কেন ম‌নোনয়নপত্র জমা দিলেন না !?
যারা মনোনয়ন পত্র জমা দেননি তারা নিজেদের অবস্থান বুঝে হিসাব নিকাশ করেই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেননি কারন তারা এই বিশাল দুই প্রার্থী সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারন সম্পাদক আহমেদ কয়ছরের কাছে পরাজিত হবে বিদায় আগেই নির্বাচনে যাননি।
এই কাউন্সিল নিয়ে অনেকেই কিছু আবল তাবল লিখেছেন তার ভিতরে একজন লোক যার নাম জীবনে কখনও শুনলাম না বা তার কোন লেখাও চোখে দেখিনি সেই লোকও এই কাউন্সিলকে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের সাথে তুলনা করে অনেক কথা লিখেছেন।
২০১৪ সালের নির্বাচন এক জিনিস যা ছিলো সরকারের অধীনে নির্বাচন আর এই কাউন্সিল আরেকটা অধ্যায়।
কাউন্সিলটি পরিচালনা করেছেন জাতীয়তাবাদী দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক মহিদুর রহমান।
যদি কাউন্সিলটি পরিচালনা করতেন সভাপতি এম এ মালিক তাহলে একটা কথা হতো। আসলে শিক্ষা, জ্ঞান না থাকলে যা হয় তাই হচ্ছে আজকাল হাবিজাবি যারা লিখেন তাদের লেখায়।
দুই চার জন যারা জীবনে নির্বাচনে কখনও জিততে পারবে না তাদের কিছু নাটকের জন্য দলের দূর্নাম ।
শুধু তাই নয় সামান্য ইউকের বিএনপির জন্য তারা তারেক রহমানের নামেও বলতে বা লিখতে ছাড়ছেন না। কি মূর্খতার পরিচয় যে তারা দিচ্ছে তারা নিজেরাই বুঝে উঠছে না ।
তারেক রহমান একটি দলের সিনিয়ার ভাইস প্রসিডেন্ট। তারেক রহমানে পদ পদবী সম্পর্কেও
তাদের ধারনা নেই , তারেক রহমান দলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাধ দিয়ে ইংল্যান্ড বিএনপি নিয়ে পড়ে থাকবেন এই ধরণের চিন্তা কি ভাবে ঐ লোকগুলো করেন।
আসলেই মানুষকে বসতে দিলে শুতে চায়,এই অবস্হায়ই হয়েছে ইংল্যান্ডের কিছু লোক জনের।

নির্বাচনে হেরে যাবার ভয়ে না দাড়িঁয়ে কাউন্সিল ও দল নিয়ে যারা সমালচনা করছেন তাঁরা আসলেই মূর্খের সামিল। তাদের এই আচারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।
আশাকরি তাদের মনের পরিবর্তন ঘটবে এবং সবাই মিলে একসাথে কাজ করে যাবে।
নির্বাচিত সভাপতি এম এ মালিক ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমেদ তাঁদের পরিশ্রমি সংগ্রামের মাধ্যমেই দেশ বিদেশ সহ ব্রিটেনে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.