নভেম্বর ৩০, ২০২০

আগামী নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ নৌকার জয় হবে

১ min read

নতুন আলো নিউজ ২৪.কম:প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ নৌকার জয় হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। গতকাল বিকালে ঐতিহাসিক খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপস্থিত নেতাকর্মীসহ জনতার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে দোয়া চাই যেন আপনাদের সেবা করে যেতে পারি। আমরা চাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে। আমরা চাই বাংলাদেশকে উন্নত করতে।

আমরা বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী করতে চাই। যখন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন আপনারা স্বাধীনতা পেয়েছেন। গত নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন, উন্নয়ন হয়েছে। আগামীতে নির্বাচন। আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই, এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চান? যদি চান, তাহলে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। আপনারা বলেন, দুই হাত তুলে দেখান, নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন কি না, ওয়াদা করেন আপনারা। এসময় উপস্থিত জনসাধারণ দুই হাত তুলে ধরে শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন জানান।
খুলনা জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ জনসভার আয়োজন করে। ২৪ মিনিটের বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এই বাংলাদেশের মাটিতে রাজাকার, আলবদর ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করেছি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অপরাধী যে-ই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আজকে খালেদা জিয়া দুর্নীতি করেছে। কোর্ট রায় দিয়েছে। সেই রায়ে সে কারাগারে। এখানে আওয়ামী লীগের কিছু করার নাই। আমাদের কিছু করার নাই। দুর্নীতি করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। এর আগে তিনি দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে সার্কিট হাউজ থেকে জনসভাস্থলে আসেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী জনসভার পূর্বে মঞ্চের পাশে তৈরি করা একটি বোর্ডে সুইচ টিপে ২ হাজার ৪১ কোটি টাকার ১০০টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে ৬৭৫ দশমিক ৩৭ কোটি টাকার ৪৮টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১ হাজার ৩৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকার ৫২টি নতুন প্রকল্পের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এসময় মুহুর্মুহ করতালিতে জনসভায় আসা মানুষেরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এর আগে বেলা ১১টায় খালিশপুরের ঈদগাহ ময়দানে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনকে কেন্দ্র করে নগরীতে ছিল সাজসাজ রব। দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি খুলনা শিপইয়ার্ডে এক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সর্বশেষ জনসভায় ভাষণ দেন ২০১৩ সালে। ওই হিসেবে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর তিনি গতকাল খুলনায় জনসভায় বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে নগরজুড়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল সাড়ে তিন হাজার পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি সাদা পোশাকে নিরাপত্তারক্ষীরা দায়িত্ব পালন করেন। তিনটি স্থানে ২৪টি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয় পুরো মাঠকে। বৃহত্তর খুলনাসহ বিভাগের ১০ জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকেও জনসভায় লোক আসে। এতে ১০ লাখেরও বেশি লোকের সমাবেশ ঘটেছে বলে জানান আওয়ামী লীগের নেতারা। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে ৫ কিলোমিটর জুড়ে লোক সমাগম ঘটে। এদিকে সকাল থেকেই খুলনা শহরের বেশিরভাগ মার্কেট ও দোকান বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া সকাল থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়। বেলা তিনটায় সমাবেশের সময় নির্ধারণ থাকলেও সকাল ১১টা থেকেই হাজার হাজার মানুষ জনসমাবেশ স্থলে মিছিল নিয়ে আসতে থাকে। জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমরা তো উন্নয়নই করতে চাই। অন্যদিকে বিএনপি কী করে? জামায়াত কী করে? নির্বাচন ঠেকানোর নামে ওই বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে কত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। তার নিজের অফিসে বসে থেকে ঘোষণা দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত না করে তিনি নাকি ঘরে ফিরবেন না। প্রায় তিন মাসের কাছাকাছি অফিসে বসেছিলেন। উনি অফিসে বসে বিরিয়ানি খান আর মানুষ পোড়ানোর হুকুম দেন। মা তার চোখের সামনে দেখে তার মেয়ে পুড়ে মারা যাচ্ছে। তার স্বামী পুড়ে মারা যাচ্ছে। বাবা চোখের সামনে দেখে তার ছেলে পুড়ে যাচ্ছে, কিছু করতে পারে না। সিএনজি চালক থেকে শুরু করে গাড়ির ড্রাইভার, বাসের ড্রাইভার, কনডাক্টর, ট্রাকের ড্রাইভার, কাউকে বাদ দেয়নি। এমনকি আমি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাই, সেই বিদ্যুৎকেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ কি অপরাধ করেছে? ২৭ জন পুলিশ হত্যা করেছে। বিজিবির লোক হত্যা করেছে। প্রায় ৫০০ জন মানুষকে ওই খালেদা জিয়া আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ আগুনে পুড়ে আহত হয়েছে। তাদের জীবন-জীবিকার কোনো পথ নেই। তাদের সব পথ বন্ধ। লঞ্চে আগুন দিয়েছে। সরকারি অফিস আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি ধ্বংস করতে জানে সৃষ্টি করতে জানে না। মানুষকে বাঁচাতে পারে না, মানুষকে হত্যা করতে পারে। কমিউনিটি ক্লিনিক করেছিলাম। তা বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা করে, জনগণের জন্য কাজ করে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই উন্নয়নের পথে। আজকে বাংলাদেশ দারিদ্র্যের হার কমিয়েছি। তিনি বলেন, এই খুলনাকে ভিক্ষুক মুক্ত করা হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষা করে চলবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের মানুষ সুন্দরভাবে জীবন-যাপন করবে। আমরা সেটাই দেখতে চাই। সেটাই করতে চাই। এই দেশের আরও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধশালী দেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনার সার্বিক উন্নয়নের ওয়াদা করেছিলাম। আজ ১০০টি প্রকল্পর উদ্বোধন করেছি। যেন খুলনার উন্নয়ন হয়। এই অঞ্চলকে আরও উন্নত করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম এর বাইরে যেসব কাজ করলে জনগণের কল্যাণ হয় তার জন্য আমরা করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, আপনারা জানেন ওই মংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। খালেদা জিয়া খুলনায় বক্তৃতা দিয়েছিল ক্ষমতায় গেলে সব কল-কারখানা চালু করবে। সব বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বন্ধ কল-কারখানা চালু, মংলা বন্দর চালু, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন আমরা করে দিচ্ছি। মংলা বন্দর পর্যন্ত যেন রেললাইন যায়, আমরা পদ্মা সেতু থেকে শুরু করে যশোর হয়ে, বাগেরহাট হয়ে মংলা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন যাবে- তার প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। খুলনাবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের একটা সুখবর দিতে চাই। ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। আমরা পরিকল্পনা নিচ্ছি সেই গ্যাস পাইপলাইনে করে বরিশাল এবং খুলনায় যাতে গ্যাস আসে তার ব্যবস্থা আমরা করে দেবো। তিনি বলেন, রূপসা ব্রিজ জাপান সরকারের সহযোগিতায় শুরু করেছিলাম। আজ সেটা বাস্তবায়ন হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা করেছি। ৬৮ লাখ মা-বোনেরা ভাতা পাচ্ছেন। ছেলেমেয়েদের বই কেনার দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ বই উৎসব হয়। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আসার আগে কারও হাতে হাতে মোবাইল ফোন ছিল না। আমরা ক্ষমতায় এসে তা হাতে হাতে তুলে দিয়েছি। এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে আরও অনেক সেবা নিতে পারছেন। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। তিনি বলেন, বিএনপির সময় এই খুলনা অঞ্চল ছিল সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য। প্রতিদিন খুন, প্রতি মুহূর্তে মায়ের কোল খালি হতো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কঠোর হস্তে জঙ্গি আমরা দমন করেছি। আজকে খুলনা শান্তির নগরী। এখানে যেন আর কোনো ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে তার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করি। জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে যখনই তারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা কেবল হত্যা করেছে। অনেক সাংবাদিক হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলা করেছে। অনেকে আহত হয়েছিলেন। নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইমাম থেকে মাদরাসার শিক্ষক, সমাজের বিশিষ্টজনেরা, মা-বোনরা যারা আছেন, তারা আপনাদের ছেলেমেয়ে ঠিকমতো পড়াশোনা করে কি না, মাদকাসক্ত হলো কি না, জঙ্গিবাদে জড়ালো কি না- তা দেখতে হবে। তারা যেন এসবে কখনও সম্পৃক্ত হতে না পারে। শেখ হাসিনা বলেন, সব স্তরের মানুষকে আহ্বান জানাই আপনারা আপনাদের সন্তানদের খবর নেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম। হত্যা আর অশান্তির ধর্ম না। আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করবে, বিভিন্ন দেশে চাকরি করবে- এটাই আমরা চাই। আমাদের ছেলেমেয়েরা কেন বিপথে যাবে? তাদের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালাতে চাই। ইনশাল্লাহ ২০২১ সালের মধ্যে কোনো ঘর অন্ধকার থাকবে না। সব ঘরে আলো জ্বলে- সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ডা. দীপু মনি, মাহবুব-উল আলম হানিফ, শেখ হেলালউদ্দিন এমপি, বিজিএমইএ’র সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ফুটবলার সালাম মুর্শেদী, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জনসভায় উপস্থিত ছিলেন এইচটি ইমাম, সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনা ও নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। তারা জানান, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। পদ্মা সেতুসহ নানা ধরনের উন্নয়নকাজ হয়েছে। অতীতের সব কলঙ্ক মুছে দেশ এগিয়ে চলেছে। তারা বলেন, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে যারা দেশকে কলঙ্কিত করেছে, তাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা হবে।
খুলনা অঞ্চলজুড়ে উৎসবের আমেজ
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শুক্রবার থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ নগরবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নগরীতে শত শত তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে নগরীর প্রতিটি সড়ক ও মোড়। শহরের অলিগলিতে মাইকিং করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। সঙ্গে ছিল বাহারি রকমের লাইটিং। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে ব্যাপক কর্ম-তৎপরতা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের কাছে গুরুত্ব বহন করছে। আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের কাছে গুরুত্ব বহন করছে। উন্নয়নের পাশাপাশি প্রত্যাশা নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে উন্নয়ন কমিটি আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে। নির্বাচনের বছর হওয়ায় এই সফরের রাজনৈতিক গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি বলে মনে করছেন নেতারা। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ ও খুলনা সিটি নির্বাচন চলতি বছরেই অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে তার সফরে উজ্জীবিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরাও। এদিকে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে মঞ্চ নির্মাণের কাজ করেছেন ৩০ জন মিস্ত্রী। তাদের সঙ্গে শ্রমিক হিসেবে ছিলেন আরো ৩০ জন। মঞ্চ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন চারজন। রং মিস্ত্রির কাজ করেন সাতজন। মঞ্চের মূল মিস্ত্রি যশোরের পাইকপাড়ার শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগের দুটি বিশাল জনসভার মঞ্চ নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেছেন। এরমধ্যে গোপালগঞ্জের জনসভার মঞ্চও ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.