অক্টোবর ২৬, ২০২০

সুনামগঞ্জ পৌরসভার উপনির্বাচন অনেক নেতাই বিরোধিতা করেছিলেন দলীয় প্রার্থীর

১ min read

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক :সুনামগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। ভূমিধ্বস জয়ের পরও দলের নেতাদের ভূমিকা নিয়েই নানা প্রশ্ন উঠেছে। দলের বাইরে গিয়ে আ.লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে গোপনে ভোট প্রার্থনা করেন।

২৯ মার্চের নির্বাচনে আ.লীগের প্রার্থী নাদের বখত প্রায় সাত হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। ২২টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি ১৭টি কেন্দ্রে জয়লাভ করেন। তবে আ.লীগের অনেক শীর্ষ নেতার বাসস্থানের পার্শ্ববর্তী কেন্দ্রগুলোতে আশানুরূপ ভোট পায়নি নৌকা প্রতীক। উল্টো এসব কেন্দ্রে ভালো ফলাফল করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রতীক মোবাইল ফোন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, জেলা আ.লীগের নতুন কমিটির বেশ কয়েকজনসহ কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের অনেকেই গোপনে বিরোধিতা করেছেন দলীয় প্রার্থী নাদের বখতের। এসব নেতারা নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা না করে মোবাইল ফোন প্রতীকের পক্ষে ভোট চান। সংস্কৃতি অঙ্গনে পরিচিত মুখ যিনি জেলা আ.লীগের কমিটিতে কিছুদিন আগে স্থান পেয়েছেন তাকে দেখা গেছে নির্বাচনের দিন কয়েক আগে এক প্রার্থীর ঘরোয়া নির্বাচনী বৈঠকে অংশ নিতে। জেলা আ.লীগের সম্পাদকীয় পদবীধারী একজনকে সংবাদকর্মীদের সামনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলতেও দেখা যায়। এছাড়া জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির দুইজন,কৃষক লীগের আহ্বায়ক কমিটির ৩-৪জন, সদর ও পৌর যুবলীগের ৭-৮ জন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজন নেতা গোপনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া পদবীবিহীন আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাই দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে অন্য প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ কয়েকটি ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। বিরোধিতার বিষয়টি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নির্বাচনের প্রচারণার শুরু থেকেই নজর রাখছিল। নির্বাচনের পর তাদের নাম সংগ্রহের কাজও শেষ করেছে সংস্থাগুলো। তাদের নাম ঢাকায় কয়েকদিনের মধ্যেই পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.