বৃহঃ. সেপ্টে ২৪, ২০২০

৭৩৪ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে মিছিলে উপস্হিত ১৬ জন

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক : বিএনপি চেয়্যারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে দায়েরকৃত একটি মামলায় চার্জশিট দাখিলের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিলের জন্য আজকে ছিল ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত দিন। কিন্তু খোদ কেন্দ্রীয় সংসদে ৭৩৪ সদস্যের কমিটি থাকার পরে ও আজকের বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের সর্বমোট ১৬ জন কেন্দ্রীয় নেতা অংশ নেন। আর মিছিলের বাকী ৬০/৭০ জন লোক ঢাকার বিভিন্ন ইউনিট থেকে এসে বিক্ষিপ্তভাবে মিছিলটিতে যোগ দেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক  ছাত্রদল নেতা বলেন এতবড় বিশাল আকারের কমিটি দিয়ে ও যদি আন্দোলন  সংগ্রামের সময় হাতে গুনা কয়জন মিছিলে যোগ দেন তাহলে এই বিশাল কমিটি দিয়ে আমরা কি করব ? তাই আমার অনুরোধ থাকবে দেশ মাতা বেগম জিয়া ও নেতৃবৃন্দের কাছে আগামী কমিটির আকার যেন হয় গঠনতন্ত সামঞ্জস্য মোতাবেক ১০১ , ১৫১ অথবা ১৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দেওয়া হয় যা হবে একটি সুন্দর শক্তিশালী কমিটি। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে আরো পাঁচ মাস আগেই। আর এরই মধ্যে সংগঠনটির সুপার ফাইভের তিনজন, এর মধ্যে সিনিয়র সহসভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক ,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সহ একাধিক সহসভাপতি ও একাধিক যুগ্ম সম্পাদক নতুন কমিটির জন্য নিজেদের অনুগত নেতাকর্মীদের নিয়ে নিয়মিত কার্যালয়ে এবং বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বাসায় কিবাং অফিসে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তালা দেওয়া সহ যে যার যার মত নিয়মিত মহড়া দিচ্ছে। এদিকে সর্বশেষ ইন্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে তারেক রহমানের কারাবন্দি দিবসের আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সহ ২ জন স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের উপস্হিতিতে মিলানায়তনের ভিতরেই কুপিয়ে আহত করা হয় ধানমন্ডি থানা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মামুন সহ আরো ২ জনকে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে দোষারোপের পালা।একাধিক সুত্র থেকে জানা গেছে , মূলত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিভাজনের কারনেই এমন ঘটনা ঘটেছে। খোদ মহাসচিবের সামনে যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে তাহলে সামনে এর চেয়ে বড় ঘটনা ঘটতে পারে সেই আশংঙ্খা থেকেই যায়।এই রকম অস্বস্তিকর পরিবেশে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম সারির একজন সহসভাপতি জানান – ছাত্রদলের উপর বর্তমান সভাপতি সাধারন সম্পাদকের ২০ পারসেন্ট কন্ট্রোল ও নাই, এর জন্য তাদের একলা চল নীতিই দায়ী।তারপর আবার তাদের মেয়াদ নাই ,ঝামেলা তো হবেই, এখানে কারো কাজের কোন জবাবদিহিতা নাই।কমিটি গঠন সহ নানারকম কেলেংকারী তো নিয়মিত ব্যাপার এখন।সভাপতি সাধারন সম্পাদক সংগঠন নিয়ে কি করছে সেটা তারা দুইজন ছাড়া বাকী কেউ জানেনা, ছাত্রদলের ইতিহাসে আর কোন সভাপতি সাধারন সম্পাদক দ্বারা এই ভাবে সংগঠনের বাকী কেন্দ্রীয় নেতারা অবহেলিত ও অপমানিত হননি আর এই কারনে ছাত্রদল আজ বহুভাগে বিভক্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.