অক্টোবর ২৭, ২০২০

জগন্নাথপুরে হাওরে ধান কাটার শ্রমিক সংকট চরমে

১ min read

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরাঞ্চলের গত কয়েক বছরে বোরো ধানের উপর দূর্যোগের সব শোক ভুলে নতুন আশায় এবারও হাওরে যতœ করে বোরো ধান বুনেছেন কৃষকগন।এখন বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চলের যে দিকেই তাকানো যায় হাওর জুড়েই বোরো ধানে এখন সোনালী রং ধরেছে।ফলে অনেক স্থানে ধান কাটা বিক্ষিপ্ত ভাবে ধান কাটা শুরু করেছে কৃষকরা।হাওরে হাওরে বোরো ধানে সোনালী রং ধারণ করলেও সেই সাথে ধান কাটার শ্রমিক সংকটের আশঙ্কায় শঙ্কিত রয়েছে হাজারো কৃষক।

সরজমিনে গিয়ে কৃষকদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, কৃষি কাজের মধ্যে তারা তাদের অতীত ঐতিহ্যের লালিত স্বপ্ন ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করেন। তারা জানান, প্রতি বছরেই এই সময়েই হাওরে একের পর এক সমস্যা লেগেই থাকে।গত বছরের সম্পূর্ণ বোরো ধান হারানোর পর পর নিষ্প্রাণ হাওরে পানি কমার সাথে সাথে বোরো ধান চাষাবাদ করতে না পারলেও একটু দেরীতে চাষাবাদ করার পরও এবার হাওরে জেগেছে প্রাণ। হাওরে মাঠে মাঠে এখন বোরো ধানে গোছা সোনালী রং ধারন করছে।ফলে জেগেছে আমাদের বুকের ভিতরে সুখের প্রান।মলিন মুখে দেখা দিয়েছে আনন্দের হাসি।উপজেলার প্রায় সব এলাকায় ধান পাকা শুরুও করায় কষ্টের ফলানো বোরো ধান কাটছে নিজেও পরিবারের লোকজন নিয়ে।

 

কয়েক দিনের মধ্যেই উপজেলার বিশাল হাওর জুড়েই সোনালী রং ধারন করা বোরো ধান কাটার ধুম পড়ে যাবে। সেই ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে হাজার হাজার কৃষক পরিবার।কিন্তু কৃষকগন তাদের কষ্টের ফলানো সোনালী ধান কাটার জন্য পূর্বের দিন গুলোর মত শ্রমিকের খোঁজ পাচ্ছে না। ফলে হাওরে হাওরে ধান কাটার শ্রমিকের সংকট থাকার কৃষকরা রয়েছে উৎকণ্ঠার মধ্যে।বিভিন্ন হাওরের ধান কাটার শ্রমিকগন জানান,আমরা খুব ব্যস্থ সময় পার করছি কম শ্রমিক থাকায় পুরো ধমে ধান কাটা শুরু হলে আমাদের রোজ বেশী পড়বে।কারন হিসাবে তারা বলেন,এবার হাওরে শ্রমিক কম।
জগন্নাথপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,চলতি বছরে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৩শ’ ৩৩ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ২০ হাজার ৩শ’ ৩৩ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে।

 

উপজেলা কৃষি অফিসার মো.শওকত মজুনদার জানান,জগন্নাথপুরের হাওরের প্রথম দিকে শ্রমিক সংকট ছিল।এখন আর নাই কেননা শ্রমিকগন গতবার ধান কাটার জন্য এসেছিল পানি হওয়ায় থাকায় ধান না কেটে ফিরে গিয়েছিল তাই শ্রমিক আসতে এবার একটু দেরি হয়েছে। এবার তো গতবারের মত বৃষ্টি হচ্ছেনা ও হাওরের পানি প্রবেশ করে নাই।তাই শ্রমিক গড়িমশি করে আসছে।উপজেলা মোট ১৩টি ধান কাটার মিশিনে রয়েছে।ধান কাটার মিশিন হল বর্তমান সময়ে আমার যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ ছোট একাট উদাহারণ দেই গত কয়েক দিন আগে নলুয়া হাওরে একজন কৃষককে প্রশ্ন করেছিলাম তুমি মিশিন দিয়ে একদিনে কয় খেয়ার ধান কাটতে পার,কৃষক বলল,একদিনে পাঁচ খিয়ার ধান কাটতে পারি।মিশিনে দ্বারা কাজ করে আমরা বেশী লাভবান হব।কেননা শ্রমিক খাওয়া দাওয়া বাবদ যে পরিমান টাকা খরচ হত তা এবার আর হবেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.