অক্টোবর ৩০, ২০২০

আদালতে হরলিক্সের উপকারীতার প্রমাণ মিলেনি….

১ min read

মনসুর আহমদ নিজস্ব প্রতিবেদন : আদালতে হরলিক্সের উপকারকারীতা প্রমাণ দিতে পারে নি প্রস্ততকারক কোম্পানি জিএসকে, শিশুদের “টলার, স্ট্রংগার, শার্পার” বানায় পুষ্টিকর খাবার। পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে রয়েছে তাজা শাক-সবজি ফলমূল। এগুলো ভিটামিনের উৎস। প্রতিদিনের ক্যালরির চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজন শর্করা, যার সবচেয়ে ভালো উৎস চাল এবং এর পরে আটা বা আলু। চিনিতে প্রচুর শর্করা থাকলেও তা যথাসম্ভব কম খাওয়াই উত্তম। সেই সাথে বেশখানিকটা স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাবার প্রয়োজন। শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজন প্রোটিন। এর উৎস ডিম, দুধ, মাংস, ডাল, বীজ। এছাড়া চাল, শাক-সব্জিতেও তা কিছু পরিমানে রয়েছে। প্রোটিনের একটি নির্দিষ্ট চাহিদা রয়েছে দেহে, এর বেশী প্রয়োজন নেই। বরং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী খেলে কিডনীতে চাপ পড়তে পারে। কিছু খাবারে অনেক উপাদান একসাথে পাওয়া যায়। যেমন: দুধ ও ডিম। এর মধ্যে মুরগীর ডিম খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার এবং দামেও অন্যান্য খাবারের তুলনায় কম।
হরলিক্স একটি সাপ্লিমেন্ট এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার। সাপ্লিমেন্টগুলোর নানাধরনের ক্ষতিকর প্রভাব বিভিন্ন গবেষণায় প্রমানীত হয়েছে। ভিটামিন পিলও সাপ্লিমেন্টের অন্তর্গত। এধরনের সাপ্লিমেন্ট শরীরে কোনো উপাদানের ঘাটতি তৈরি না হলে খাওয়া বিপদজনক। যদি ঘাটতি হয়ে থাকে তাহলে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে এগুলো সীমিত মাত্রায় প্রেসক্রাইব করতে পারেন। এর বাইরে নয়।
যেসব বাচ্চা অপুষ্টিতে ভোগে তারা হয় দারিদ্রের কারণে যথেষ্ট খেতে পায় না কিংবা জন্মগত জটিলতায় ভোগে। হরলিক্সের দাম অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারের তুলনায় বেশি। যারা হরলিক্স খেতে পারে তাদের পক্ষে অন্যান্য খাবার কিনে খেতে সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.