সোম. সেপ্টে ২১, ২০২০

আজ থেকে একুশে গ্রন্থমেলায় পাওয়া যাচ্ছে ঈস্পিতা অবনী চৌধুরীর কাব্যগ্রন্থ “গোধূলি রঙের ভোর”

১ min read

নিজস্ব প্রতিনিধি:ঈস্পিতা অবনী চৌধুরীর লেখালেখির শিকড় বলতে যা কিছু, তার সবটুকুই বলতে গেলে বাবা। ছোটবেলায় খুব আগ্রহ ভরে দেখতেন বাবার কবিতা লেখা। বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হতো উনার বাবার লেখা। ঈস্পিতার তখন কেবলি লোভ হতো ছাপার অক্ষরে যদি উনার নামেও অমন করে প্রকাশিত হতো কবিতা!

সেই থেকে লেখালেখির প্রতি আগ্রহ।

পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি প্রেরণা পেয়েছেন মায়ের কাছ থেকে। বাবা-মা কখনো একাডেমিক পড়াশোনার জন্য চাপ দেননি। বেশি উদগ্রীব ছিলেন সৃষ্টিশীলতায় উনার প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ে। তাঁদের সেই যত্নশীল দৃষ্টির কল্যাণেই সঙ্গীত কিংবা লেখালেখির জগতে ঈস্পিতার স্বল্পবিস্তর যতোটুকু পদচারণা।

জীবনে পথ চলার ক্ষেত্রে বাবা মায়ের পরপরই যে মানুষটি ঈস্পিতার প্রতি সবচেয়ে বেশি যত্নশীল ও স্নেহময় ছায়া হয়ে ছিলেন এবং আছেন তিনি উনার সঙ্গীতের গুরুজী জনাব শামসুল হুদা। কৈশোর-তারুণ্যের প্লাবনে মাঝে বলতে গেলে ছিটকে পড়েছিলেন সৃষ্টিশীলতার পথ থেকে। সেই তাল কেটে যাওয়া জীবন থেকে ফের এই ধ্যানমগ্নতায় টেনে এনেছেন গুরুজী। তাই উনার প্রতি ঈস্পিতার অশেষ শ্রদ্ধা থাকবে আমরণ।

“গোধূলি রঙের ভোর” বইটি নিয়ে কবি ঈস্পিতা অবনী প্রশ্ন করলে উনি জানান-

ঈস্পিতাঃ এ বই নিয়ে বিশেষ কি বলবো আমার জানা নেই। তবে এটুকু নিশ্চিত যে নিজ নামে প্রথম বই মলাটবন্দি হবার উত্তেজনা আমাকে ছুঁয়েছে। নিশ্চিত ভাবে এর জন্য একটা আগ্রহ উদগ্রীব উন্মুখ ছিলো। যা অন্য যে কারো চাইতে কিছুটাও কম নয়। আমি বেশি আনন্দিত যে পোস্টবক্সের উদ্যোগে ‘জার্নিম্যান’’-এর মতো দেশ সেরা একটা প্রকাশনী থেকে বইটা প্রকাশ পাচ্ছে।

এই বইটা বের হওয়ার পেছনে আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন যে দুজন মানুষ, তাঁরা হলেন নিলয় গোস্বামী দাদা এবং কবি লুৎফুল হোসেন। তাঁদের উৎসাহ অনুপ্রেরণা ছাড়া এটা হয়তো সম্ভবই হয়ে উঠতো না। তাঁদের প্রতি রইলো আমার আকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা।

সেই সাথে না বললেই নয়, আমার ফেসবুক বন্ধুদের কথা। সবসময় পাশে থেকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গেছেন তাঁরা। তাঁদের সবার প্রতি রইলো আমার ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।

সবশেষে পাঠকদের আগাম ধন্যবাদ। আপনারাই সেই জন, যাঁদের জন্য গ্রন্থ প্রকাশ। আপনাদের ভালোলাগা গোটা প্রচেষ্টার সাফল্যের মানদ-। আপনাদের সবাইকে অভিবাদন।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বইটি পাওয়া যাচ্ছে আজ থেকেই, জার্নিম্যানের প্যাভিলিয়ন ১১ তে। বইটির মূল্য ২০০ টাকা, মেলা থেকে কিনলে পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ টাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.