1. bnp786@gmail.com : editor :
  2. sylwebbd@gmail.com : mit :
  3. nurulalamneti@gmail.com : Nurul Alam : Nurul Alam
  4. mrafiquealien@gmail.com : Rafique Ali : Rafique Ali
  5. sharuarprees@gmail.com : Sharuar : Mdg Sharuar
  6. Mahareza2015@gmail.com : Muhibur reza Tunu : Muhibur reza Tunu
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পীরগঞ্জে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা ছাত‌কে ২৫ বোতল মদসহ সিএনজি চালক আটক। সিলেটে লকডাউনের ১০ম দিনে ৩০টি যানবাহনে মামলা, ৯১টি আটক এবং ৭৬,৭০০/- টাকা জরিমানা জেলা বিএনপি নেতা এমরান চৌধুরীর বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে খন্দকার মুক্তাদিরের শোক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে: এড. নাসির খান সাবেক ডেপুটি স্পিকার আলী আশরাফ মৃত্যুতে এনডিপির শোক কঠোর লকডাউনের নবম দিনে ৬০টি যানবাহনে মামলা ১২৯টি আটক এবং ৭১,১০০/- টাকা জরিমানা কক্সবাজারে মাতাল ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বাবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মই থেকে পড়ে রঙমিস্ত্রির মৃত্যু। সিলেটে নতুন করে করোনা শনাক্ত আরো ১৪৩ জনের।

মামলা হলেও গ্রেপ্তার হননি, বগুড়া শহর আওয়ামী লীগ নেতা মান্নান

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ মার্চ, ২০১৮

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে মেয়রের কক্ষ ভেঙে চেয়ারে বসা সেই আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নান গ্রেপ্তার হননি। ঘটনার সময় পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও অভিযোগ দেয়া হয়নি  সেই অজুহাতে পুলিশ নীবর ভূমিকা পালন করে। পরে ওই দিন রোববার রাত ৮টায় পৌরসভার সচিব ইমরোজ মজিদ বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলাটি রাতে হলেও পরের দিন দুপুর ২টা পর্যন্ত পুলিশ মান্নানকে গ্রেপ্তারের জন্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পরে সোমবার বিকেলে পুলিশের একটি টিম লোক দেখানো অভিযান চালায় মান্নানের বাসায়। ওই সময় তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি।

এদিকে মানবজমিনে সংবাদটি প্রকাশ হলে ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের ভূমিকায় সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। বগুড়া শহরে আওয়ামী লীগের ওই নেতার এতোটাই দাপট যে, তিনি ইচ্ছে করলে যেকেউ কিছু করতে পারেন। পুলিশের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে তার সখ্য থাকায় কখনোই তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার একজন কর্মকর্তা জানান, মেয়রের অফিস কক্ষ লাথি মেরে ভাঙ্গার সময় পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলো। সেই সময় তারা তাকে বাধা দেয়নি। এমনকি কোন কথাও বলেনি। অভিযোগ না থাকায় নাকি পুলিশ সেই সময় তাকে গ্রেপ্তার করেনি। তিনি পুলিশকে প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, এখনতো মামলা হয়েছে, তারপরেও তাকে গ্রেপ্তার করছেন না কেন?
পৌরসভার সচিব ইমরোজ মজিদ জানান, মেয়রের কার্যালয় ভেঙে তার চেয়ারে বসার ঘটনাটির প্রেক্ষিতে রোববার রাত ৮টায় বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ওই মামলার বাদী তিনি নিজেই। মামলায় মেয়রের কক্ষ ভাঙচুর করে চেয়ার বসার অপরাধে আব্দুল মান্নান আকন্দ ওরফে ফেম মান্নানকে আসামি করা হয়। মামলার পর পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে বগুড়ার সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেনের মোবাইলে ফোন দিলে রিসিভ করেন ওসি তদন্ত কামরুজ্জামান মিয়া। তিনি জানান, ওসি ছুটি আছেন। তার কাছেই বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলা যেহেতু হয়েছে পুলিশ আসামি ধরার চেষ্টা করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরণের আরো খবর
© All rights reserved © 2021 notunalonews24.com
Design and developed By Md.Rafique Ali