1. admingusar@gmail.com : admingusar :
  2. crander@stand.com : :
  3. bnp786@gmail.com : editor :
  4. sylwebbd@gmail.com : mit :
  5. zia394@yahoo.com : Nurul Alam : Nurul Alam
  6. mrafiquealien@gmail.com : Rafique Ali : Rafique Ali
  7. sharuarprees@gmail.com : Sharuar : Mdg Sharuar
  8. cardgallary17@gmail.com : Shohidul Islam : Shohidul Islam
  9. wpsupp-user@word.com : wp-needuser : wp-needuser
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের প্রতিষ্ঠানে জনমত প্রাধান্য পাবে’ সিসিক- মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী মানুষকে ভালো রাখতে শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা ও ভালোবাসার নিদর্শন বিরল’ যুদ্ধ শেষে গাজায় শান্তিরক্ষী মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর কোন সংকট হবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এই সরকার পুরোপুরি নতজানু : মির্জা ফখরুল কারাগার থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিলেন ইমরান খান শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ অবৈধ ঘোষণা, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ ইসরায়েলে ৬০টি রকেট ছুড়লো হিজবুল্লাহ বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে সিলেট

বিলুপ্তির পথে সোনারগাঁয়ের প্রত্ন নিদর্শন – শাহ মো. মাজহারুল হক

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮

শেয়ার করুুুন 

এক সময় হিন্দুদের রাজত্ব ছিল ইতিহাসের নগর সোনারগাঁয়ে। হিন্দুদের গড়া অনেক কিছু ছিল, এখনও আছে। অযত্ন-অবহেলা ও সরকারের সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সোনারগাঁয়ের গোবিন্দপুরের প্যারিমোহন চৌধুরী বাড়ির অনিন্দ্যসুন্দর মন্দির। মন্দিরটি রাজশাহীর পুঠিয়ার ছোট মন্দিরের আদলে গড়া। এ মন্দিরটি মুঘল স্থাপত্যের আরেকটি নিদর্শন।

মন্দিরটি মুঘল আমলে স্থাপিত হলেও স্থানীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের কাছে এ ব্যাপারে সঠিক কোনো তথ্য নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- জমিদার প্যারিমোহন চৌধুরী উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক ছিলেন ওই জমিদারির। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর শুরু হয় জমিদারির ভগ্নদশা।

জনশ্রুতি রয়েছে, চৌধুরী প্যারিমোহন চৌধুরীর স্ত্রী, চার ছেলে ও দুই মেয়ে নিয়ে গোবিন্দপুর গ্রামে বসবাস করতেন। পরে প্যারিমোহন চৌধুরী সপরিবারে কলকাতা চলে যান। এরপর চৌধুরী বাড়ির মালিক হন স্থানীয় কয়েকজন সম্ভ্রান্ত মুসলমান। ভাগ-বাটোয়ারার প্রক্রিয়ায় মন্দিরের অংশের মালিক হন হাজী রমিজউদ্দিন গং। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি (মেম্বার) ছিলেন। সমাজে তার সুনাম এখনও বিদ্যমান। তিনি মন্দিরটি সংস্কার না করলেও এর কোনো রকম ক্ষতি হতে দেননি। মন্দিরটির ইটের ছাঁচ প্রমাণ করে- এটি মুঘল আমলের শেষ অথবা মুঘল ও সুলতানি আমলের সন্ধিক্ষণে স্থাপিত। সুলতানি আমলের স্থাপনাগুলোয় সাধারণত ইটের ওপর কোনো আস্তর (প্লাস্টার) থাকে না। কিন্তু এ মন্দিরে ইটের ওপর প্লাস্টার রয়েছে। সেদিক থেকে ধরে নেয়া যায়, এ মন্দিরটি মুঘল স্থাপত্যের একটি নিদর্শন।

হাজী রমিজউদ্দিনের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে এ জমির মালিক হন তার পরবর্তী প্রজন্ম। সময়ের প্রয়োজনেই হোক অথবা বাড়ি বর্ধিতকরণের কারণেই হোক অনিন্দ্যসুন্দর এ মুঘল স্থাপনাটি ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকা উচিত বলে মনে করেন ইতিহাসবিদরা। উল্লেখ্য, এ মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মিল রয়েছে ঐতিহাসিক পানাম নগরীর ১৩ নম্বর ভবনের মন্দিরটির। মুঘল আমলে স্থাপিত বলে এসব এলাকা যদি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর অধিগ্রহণ করে, তাহলে মন্দিরটি রক্ষা পাবে।

ইতিহাসের কোথায় কী লুকিয়ে আছে, আমরা অনেকেই তা জানি না। না জানার কারণে লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়ে যায় অমূল্য অনেক সম্পদ। তারপর বিলুপ্তও হয়ে যায়। প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদকে সব দেশেই যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়। তাহলে বাংলাদেশে কেন নয়? আমরা সোনারগাঁয়ের সব প্রত্ন নিদর্শন রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ চাই।

লেখক: আইনজীবী ও কলামিস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© All rights reserved © 2021 notunalonews24.com
Design and developed By Syl Service BD