ডিসেম্বর ৩, ২০২০

তারা কি রাষ্ট্রের আইনজীবী নাকি আ’লীগের আইনজীবী?

১ min read

নতুন আলো নিউজ ডেস্ক :দেশ ও দেশের জনগণকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এমন দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘ব্যাংকে চলছে হরিলুট। হাজার হাজার কোটি টাকা অবাধে লুট হচ্ছে। আর এই লুটপাটে সহায়তা করছে খোদ সরকার। কোটি কোটি ডলার পাচার হচ্ছে এবং বিদেশে সেকেন্ড হোম গড়ে তুলছে এই লুটপাটকারীরা। মানুষকে কথা বলতে দেয়া হচ্ছে না। সব মিলে গণতন্ত্র গভীর সংকটে পতিত হচ্ছে।’

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত ‘চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট: কোন পথে বাংলাদেশ’- শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়া যে গণতন্ত্রের জন্য আজীবন লড়াই করেছেন সেই গণতন্ত্র আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সেদিন যদি যাদু মিয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে এসে না দাঁড়াতেন তাহলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো কিনা সন্দেহ আছে। যাদু মিয়া শুধু শহীদ জিয়ার পাশেই দাঁড়াননি গণতন্ত্রের জন্য তিনি ন্যাপের নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষ বিএনপির হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ও দুদকের আইনজীবীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা কি রাষ্ট্রের আইনজীবী নাকি আওয়ামী লীগের আইনজীবী? তাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয় রাষ্ট্রের প্রতি, জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তাদের কর্মকাণ্ডেই প্রমাণিত হয় খালেদা জিয়ার শাস্তির পেছনে সরকারের মদদ রয়েছে।

১৫টি মামলা কাঁধে নিয়ে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এমন মন্তব্য করে নজরুল বলেন, ‘দুর্নীতিসহ ১৫টি মামলা মাথায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ১৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির সেই মামলাগুলো আজ কোথায়? তা নিয়ে তো দুদক, অ্যাটর্নি জেনারেলকে কোনও তদবির করতে দেখা যায়নি। তাহলে খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে তারা কেন এত দৌড়ঝাঁপ করছেন? ১/১১ সরকারের আমলে করা শেখ হাসিনার মামলাগুলো প্রত্যাহার হলে খালেদা জিয়ার মামলা কেন প্রত্যাহার হলো না? আসলে আওয়ামী লীগ খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাকে ভয় পায়। আর সেই কারণেই নিজেদের অপকর্মকে আড়াল করতে নেত্রীকে জেলে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়ার সভাপতিত্বে ও মহানগর সদস্যসচিব মো. শহীদুননবী ডাবলুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন, ২০ দলের শরিক এলডিপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির সহগবেষণা সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, লেবার পার্টি মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কল্যাণ পার্টি যুগ্ম মহাসচিব আল আমিন ভুইয়া রিপন, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মো. মঞ্জুরুল আলম, যুবনেতা আব্দুল্লাহ আল কাউছারী প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Copyright © notunalonews24.com All rights reserved. | Newsphere by AF themes.