1. bnp786@gmail.com : editor :
  2. sylwebbd@gmail.com : mit :
  3. nurulalamneti@gmail.com : Nurul Alam : Nurul Alam
  4. mrafiquealien@gmail.com : Rafique Ali : Rafique Ali
  5. sharuarprees@gmail.com : Sharuar : Mdg Sharuar
  6. Mahareza2015@gmail.com : Muhibur reza Tunu : Muhibur reza Tunu
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নবগঠিত ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের নব গঠিত কতিপয় নেতৃবৃন্দের সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের বিবৃতি । লন্ডনে কোকো’র সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীতে, আরাফাত রহমান কোকো স্সৃতি সংসদের দোয়া মাহফিল। ফ্রি মাতৃস্বাস্থ্য সেবা পেল সুবিধাবঞ্চিত পদ্মপুকুর ইউনিয়নবাসী। বিনামূল্যে মাতৃস্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প পরিচালিত কেশবপুর প্রিমিয়ার লীগের ৭ তম আসরের উদ্বোধন। উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি। কলোসিয়াম কি?রোমান কলোসিয়াম নিয়ে কেন মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই ? নরসিংদীর শিবপুরে শহীদ আসদ দিবস পালিত সুজানগর বিএনপির উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত। মোংলায় সুপেয় পানি ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবীতে মানববন্ধন।

নারায়ণগঞ্জবাসীর খন্দকার পরিবারের প্রতি আস্থা বাড়ছে।

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট:নারায়ণগঞ্জ বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা হচ্ছেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। সেই সাথে তার ছোট ভাই মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদও নারারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। আর এই দুই খন্দকার ভ্রাতৃদ্বয়ই প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সময়কালে নারায়ণগঞ্জবাসীর ভরসার প্রতিক হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

 

বিশেষ করে মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ যেন দল মত নির্বিশেষে নারায়ণগঞ্জবাসীর একান্ত আপনজন হিসেবে পরিণত হয়েছেন। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত মানবতায় যখন কেউ কারও সহযোগিতায় আসছেন না ঠিক তখনই মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ সকল দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিচ্ছেন। আর তাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন তার বড় ভাই অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। সেই সাথে অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

 

জানা যায়, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং কাউন্সিলর ও মহাগর যুবদলের সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। মানুষকে সচেতন করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন তিনি। দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্যই একজন নিবেদিত মানুষ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

 

নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির পরেই প্রথমবারের মত হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে বিতরণ, মাস্ক বিতরণ, সরকারি ত্রাণ বিতরণ, ব্যক্তিগত ত্রাণ বিতরণ, টেলি মেডিসিন সেবা, সবজি বিতরণ, ৩০ পার্সেন্ট ভর্তূকি মূল্যে খাদ্য বিতরণ, ভর্তূকি মূল্যে ডিম বিতরণ, প্লাজমা ডোনেশন, অক্সিজেন সাপোর্ট সহ নানা কার্যক্রম করে যাচ্ছেন টিম খোরশেদ।

 

সেই সাথে খোরশেদ ঘোষণা দেন নারায়ণগঞ্জে করোনা উপসর্গ কিংবা এ রোগে কেউ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে দাফনের ব্যবস্থা করবেন। এরপর থেকেই তিনি একের পর এক লাশের কাফন দাফন সম্পন্ন করে চলছেন। প্রথমদিকে তার এই কাজ নারায়ণগঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন আর নারায়ণগঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যখন কোনো আত্মীয় স্বজন এগিয়ে আসছেন তখন খোরশেদ পরম আত্মীয়ের পরিচয় দিয়ে লাশের কাফন দাফন করে যাচ্ছেন।

 

নিজ ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মালম্বীদেরও লাশের সৎকার করে যাচ্ছেন মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। যা নিয়ে দেশের পাশাপাশি বর্হিবিশে^ও আলোচনায় চলে এসেছে। তাকে নানা উপাধিতে ভূষিত করে যাচ্ছেন। কেউ বলছেন, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ কেউ বলছেন ‘হিরো অব করোনা’।

এদিকে তার বড় ভাই বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার খোরশেদকে সময়ে অসময়ে নানাভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি নানা সামাজিক কাজকর্মে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন।

 

নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা শুরু করেন। এরপর হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা, জনসাধারণ সচেতন করা, মাস্ক বিতরণ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেন। প্রথমে তিনি নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে কার্যক্রম শুরু করলেও পর্যায়ক্রমে রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার ও বন্দরেও ছড়িয়ে দেন তার সকল কার্যক্রম।

 

এরপর তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তিন দফায় ত্রাণ ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। সেই সাথে জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন।

 

একই সাথে করোনাকালিন সময়ে শ্রমিক সংকটে পড়া কৃষকদের সহযোগিতায় নারায়ণগঞ্জে প্রত্যেকটি থানা এলাকায় নেতাকর্মীদের নিয়ে কৃষকদের সহযোগিতায় ধান কাটা টিম গঠন কনে। প্রায় প্রতিদিনই ধান কাটা টিমের সদস্যরা রোযার মধ্যেই ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে কোনো না কোনো এলাকায় কৃষকের ধান কেটে ফসল ঘরে তুলে দিয়ে আসছেন। এভাবে একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

ফলশ্রুতিতে এই দুই খন্দকার ভ্রাতৃদ্বয় বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও তার ছোট ভাই নারারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জবাসীর আস্থা হিসেবে পরিণত হয়েছেন।

 

Comments are closed.

এই ধরণের আরো খবর

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৭৪৭,৩৩১
সুস্থ
১,৫৬১,০৪৩
মৃত্যু
২৮,২৮৮
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১৫,৮০৭
সুস্থ
১,০৩৭
মৃত্যু
১৫
স্পন্সর: একতা হোস্ট
© All rights reserved © 2021 notunalonews24.com
Design and developed By Syl Service BD